ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের পুটিয়া সীমান্তে চোরাইপণ্য আনার সময় বিজিবির ধাওয়ায় এক চোরাকারবারির পা ভেঙে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা উপজেলার পুটিয়া সীমান্ত দিয়ে খাদলা গ্রামের কয়েকজন চোরাকারবারি ভারত থেকে চোরাইপণ্য নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় খাদলা বিজিবি ক্যাম্পের গোয়েন্দা শাখার (এফএস) এক সদস্য তাদের ধাওয়া করেন। ধাওয়ার সময় এক চোরাকারবারি মাটিতে পড়ে গিয়ে পায়ে গুরুতর আঘাত পান এবং তার পা ভেঙে যায়।
এ সময় গ্রামবাসী ওই বিজিবি সদস্যের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি কাছাকাছি এক গ্রামপুলিশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে আত্মরক্ষা করেন। পরে খাদলা বিজিবি ক্যাম্পের অন্য সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে গ্রামবাসীর সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
একপর্যায়ে বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্দুক হাতে প্রস্তুতি নিলেও পরে ওই বিজিবি সদস্যকে উদ্ধার করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়।
বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জিয়াউর রহমান বলেন, চোরাই পণ্য নিয়ে ভারত থেকে আসার সময় বিজিবির একজন সদস্য তাদের ধাওয়া করলে একজন মাটিতে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসী ওই বিজিবি সদস্যের ওপর আক্রমণ চালায়। তিনি একটি ঘরে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন।
বন্দুক তাক করার বিষয়ে তিনি বলেন, গুলি করার জন্য নয়, বরং ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বিজিবি সদস্যকে উদ্ধার করার জন্য অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :